বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পূর্বাচলে ব্যাপক শোডাউন করেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী এবং প্রায় শতাধিক গাড়ির একটি বিশাল বহর নিয়ে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন।
সকাল থেকেই ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা পূর্বাচলের দিকে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও বাস নিয়ে গঠিত এই দীর্ঘ বহরটি যখন পূর্বাচলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে, তখন সড়কের দুই পাশে উৎসুক মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
শোডাউনের বিষয়ে মো. খোরশেদ আলম বলেন,
“তারেক রহমান আমাদের আশার বাতিঘর। তাঁর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে সফল করতে ঢাকা জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। এই জনস্রোত প্রমাণ করে, দেশের মানুষ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা জেলার প্রভাবশালী এই নেতার নেতৃত্বে এত বড় বহর নিয়ে অংশগ্রহণ আগামী দিনের দলীয় আন্দোলন ও সাংগঠনিক শক্তিমত্তারই স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, পূর্বাচলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি চলমান রয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ তৃণমূল পর্যায়ের হাজার হাজার নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করছেন।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পূর্বাচলে ব্যাপক শোডাউন করেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী এবং প্রায় শতাধিক গাড়ির একটি বিশাল বহর নিয়ে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন।
সকাল থেকেই ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা পূর্বাচলের দিকে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও বাস নিয়ে গঠিত এই দীর্ঘ বহরটি যখন পূর্বাচলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে, তখন সড়কের দুই পাশে উৎসুক মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
শোডাউনের বিষয়ে মো. খোরশেদ আলম বলেন,
“তারেক রহমান আমাদের আশার বাতিঘর। তাঁর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে সফল করতে ঢাকা জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। এই জনস্রোত প্রমাণ করে, দেশের মানুষ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা জেলার প্রভাবশালী এই নেতার নেতৃত্বে এত বড় বহর নিয়ে অংশগ্রহণ আগামী দিনের দলীয় আন্দোলন ও সাংগঠনিক শক্তিমত্তারই স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, পূর্বাচলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি চলমান রয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ তৃণমূল পর্যায়ের হাজার হাজার নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন